প্রিন্ট ও ডাউনলোড সংস্করণ সুন্দর A4 প্রিন্ট, PDF এবং HD JPG
← ফিরে যান
PDF ডাউনলোড চাপলে Print Destination থেকে Save as PDF নির্বাচন করুন।
Channel A1 Tv Ltd.
Channel A1 TV
Channel A1 TV QR Code
জাতীয়

বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় শপিং মল ও দোকানপাটের নতুন সময়সূচি কার্যকর

দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত শপিং মল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং ছোট-বড় দোকানপাটের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সরকার নতুন সময়স
প্রতিবেদক: CHANNEL A1 TV LTD. প্রকাশ: Oct 24, 2026 প্রিন্ট: 25 Oct 2026, 06:37 AM
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় শপিং মল ও দোকানপাটের নতুন সময়সূচি কার্যকর

দেশের অর্থনীতি ও জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসেবে বিবেচিত শপিং মল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং ছোট-বড় দোকানপাটের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সরকার নতুন সময়সূচি জারি করেছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে গত ১২ আগস্ট থেকে দেশের সব শপিং মল, দোকানপাট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা কার্যকর হওয়ায় দেশের বিভিন্ন শহর ও নগরীর বাণিজ্যিক এলাকায় রাত ৮টার পর থেকেই দোকানপাট বন্ধ থাকছে। কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্তটি দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্য বজায় রাখতে নেওয়া একটি জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক শক্তি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই নতুন সময়সূচি জারির পটভূমি হিসেবে উঠে আসছে দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট ও সরবরাহে ঘাটতির সমস্যা। সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বাধা সৃষ্টি হয়েছে, যা সরাসরি বাণিজ্যিক খাতকে প্রভাবিত করেছে। শপিং মল ও বড় দোকানপাট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিশাল খাত হিসেবে কাজ করে, তাই এই খাতের বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হলে দেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদা কমানো সম্ভব হবে। সরকারের উদ্দেশ্য হলো, সীমিত বিদ্যুৎ সরবরাহকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো এবং গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব কমানো। এই পদক্ষেপটি দীর্ঘমেয়াদি বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা কৌশলের একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।

এই নতুন সময়সূচি কার্যকর হওয়ায় বাণিজ্যিক খাতের ব্যবসায়ীরা প্রাথমিকভাবে কিছুটা চিন্তিত হলেও, তারা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়েছেন। অনেক ব্যবসায়ী মনে করছেন, বিদ্যুৎ সংকট দূর না হওয়া পর্যন্ত এই পদক্ষেপটি অপরিহার্য। জনসাধারণের মধ্যেও এই পরিবর্তনের প্রভাব অনুভূত হচ্ছে, বিশেষ করে যারা রাতের বেলায় কেনাকাটা বা বিনোদনের জন্য শপিং মলে যেতেন। তবে কর্তৃপক্ষের এই নির্দেশনা মানতে সবাই সহযোগিতা করছেন, কারণ বিদ্যুৎ সংকট দূর না হলে দেশের অর্থনীতি ও দৈনন্দিন জীবনে আরও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। ব্যবসায়ী জগতের নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আগের মতোই দোকানপাট খোলা রাখা হবে।

কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত তদারকি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। স্থানীয় প্রশাসন ও বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা নিয়মিত শপিং মল ও বাণিজ্যিক এলাকা পরিদর্শন করে নির্দেশনা মানা হচ্ছে কি না তা যাচাই করছেন। ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ সরবরাহের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এই সময়সূচি পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে বলে জানা গেছে। সরকারের লক্ষ্য হলো, দেশের শক্তি ব্যবস্থাপনাকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করা, যাতে জনসাধারণের দৈনন্দিন জীবনে বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব কমে যায়। এই পদক্ষেপটি দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

© 2026 Channel A1 TV. All rights reserved.